প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদ উৎসবের আনন্দকে আরও রঙিন করতে দর্শকদের জন্য বিশেষ পর্ব নিয়ে আসছে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’। এবারের পর্বটি ধারণ করা হয়েছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ব্লু স্কাই গার্ডেন সংলগ্ন একটি দৃষ্টিনন্দন স্থানে।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই বরাবরের মতো পরিবেশন করা হয়েছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী গান ‘ও মন রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’। এবার এই গানটি গেয়েছেন দেশের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী, যার সংগীতায়োজন করেছেন মেহেদী।
এবারের ইত্যাদির অন্যতম আকর্ষণ দেশের গান, যেখানে কণ্ঠ দিয়েছেন দুই কিংবদন্তি শিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদী ও সাবিনা ইয়াসমিন। তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন এই প্রজন্মের ১০ জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী—ইমরান মাহমুদুল, রাজিব, অয়ন চাকলাদার, রাশেদ, সাব্বির জামান, সিঁথি সাহা, অবন্তী সিঁথি, আতিয়া আনিসা, খেয়া ও সানিয়া সুলতানা লিজা। ‘ও বাংলাদেশ, স্বাধীন বাংলাদেশ’ শিরোনামের এই গানটির কথা লিখেছেন খ্যাতিমান গীতিকার মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান, সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন শওকত আলী ইমন।
এবারের ঈদ ইত্যাদির অন্যতম চমক হলো—এই প্রথম একসঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন দুই জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী হাবিব ওয়াহিদ ও প্রীতম হাসান। ইনামুল তাহসিনের কথায় গানটির সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন প্রীতম হাসান।
আরেকটি বিশেষ পরিবেশনায় কণ্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সিয়াম আহমেদ এবং ছোট পর্দার অভিনেত্রী জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি। যদিও তারা কখনো একসঙ্গে অভিনয় করেননি, তবে ইত্যাদিতে প্রথমবারের মতো তারা জুটি বেঁধেছেন রোমান্টিক গানে। গানটির কথা লিখেছেন কবির বকুল, সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন ইমরান।
এবারের ইত্যাদিতে বিশেষ একটি নৃত্য পরিবেশনার আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে অংশ নিয়েছেন সময়ের জনপ্রিয় টিভি অভিনেত্রীরা—সাফা কবির, সাদিয়া আয়মান, সামিরা খান মাহি ও পারসা ইভানা। তাদের সঙ্গে পারফর্ম করেছেন একদল নৃত্যশিল্পী। এই নাচটির কোরিওগ্রাফি করেছেন ইভান শাহরিয়ার সোহাগ।
প্রতিবারের মতো এবারের ঈদ ইত্যাদিও সাজানো হয়েছে বিনোদনের পাশাপাশি সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা নিয়ে। গানের সংযোজন, অভিনয়শিল্পীদের ব্যতিক্রমী পরিবেশনা এবং নান্দনিক উপস্থাপনার মাধ্যমে দর্শকদের জন্য ঈদের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তুলবে এবারের বিশেষ পর্ব।
ঈদের বিশেষ ইত্যাদি বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত হবে ঈদের পরদিন রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর।