এপ্রিলের শুরু থেকেই সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন এ বিষয়ে সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সংগঠনটি বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি ১৮ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি ১৩ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনকে লিখিতভাবে অবহিত করেছে।
ভোজ্যতেলের ওপর থাকা কর-সুবিধার মেয়াদ ৩১ মার্চ শেষ হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ১ এপ্রিল থেকে নতুন মূল্য কার্যকর হবে। গত বছর নভেম্বর-ডিসেম্বরে তেলের আমদানি, উৎপাদন ও ব্যবসায়িক পর্যায়ে শুল্ক ছাড়ের সুবিধা দিয়েছিল সরকার, যা ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। তবে সরকার এখনো জানায়নি, এ সুবিধার মেয়াদ পুনরায় বাড়ানো হবে কি না।
এ বিষয়ে টি কে গ্রুপের পরিচালক শফিউল আতহার বলেন, “১ এপ্রিল থেকে সয়াবিন ও পাম তেল বাজারজাত করার পর আগের মতোই মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) দিতে হবে। ভ্যাট বাবদ বাড়তি খরচ সমন্বয় করেই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।”
নতুন দাম কার্যকর হলে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর এর উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা শুল্ক ও ভ্যাট বিবেচনায় দাম বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরলেও, অনেকেই বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এখন দেখার বিষয়, সরকার কর-সুবিধা অব্যাহত রাখবে কিনা এবং বাজার পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেওয়া হবে।